সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচন বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। আজ রবিবার বিকেল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে তা কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, পল্টনসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিজয়-৭১ চত্বরে এসে শেষ হয়।
বিজয় নগরস্থ বিজয়-৭১ চত্বরে মিছিল শেষে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এবি পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক বিএম নাজমুল হক। এতে বক্তব্য রাখেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. আব্দুল ওহাব মিনার, সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমূখ।
সমাবেশে প্রফেসর ডা. আব্দুল ওহাব মিনার বলেছেন, বর্তমান সরকার এতই নির্লজ্জ ও তাদের ভাষা এতই আক্রমণাত্মক যে, বিশ্ববাসীর কাছে আমাদেরকে লজ্জিত হতে হয়। নির্বাচন কমিশন যে একদলীয় নির্বাচনের আয়োজন করে জনগণের ভোটাধিকারকে ধ্বংস করে দিচ্ছে তাতে তারা একদিন রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে অপরাধী হবেন।
সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, সরকারের যোগসাজসে নির্বাচন কমিশন আগামী ৭ জানুয়ারী যে নির্বাচন করতে যাচ্ছে সে নির্বাচনের সবকিছুর নিয়ন্ত্রক শেখ হাসিনা। কে, কোথায়, কোন মার্কায় নির্বাচন করবে, কে জিতবে, কে ডামি প্রার্থী হবে সবই হচ্ছে শেখ হাসিনার হুকুমে।
পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রহসন মঞ্চস্থ হবে ৭ জানুয়ারি। এই প্রহসনমূলক নাটকে নির্বাচন কমিশনসহ সকল প্রার্থী ও ভোটারেরা ডামি অভিনেতা ছাড়া আর কিছু না। তিনি দেশবাসীকে এই সাজানো নাটকের নির্বাচন বর্জন ও বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে যারা অংশ নেবেন তারা সবাই ইতিহাসে কলঙ্কিত হবেন।
যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা যে সাজানো নির্বাচন করতে চাচ্ছেন জনগণের কাছে তা ধরা পড়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক মহল বার বার সতর্ক করার পরও আপনারা গোঁয়ার্তুমি করে জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত একপেশে নির্বাচন আয়োজন করার কারণে দেশ বড় ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আসছে। এর আগে পুলিশের আইজিসহ র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা এসেছে এখন সোয়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসল।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন এবি যুবপার্টির আহ্বায়ক এ বি এম খালিদ হাসান, সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব আব্দুল বাসেত মারজান, সহকারী সদস্যসচিব শাহ্ আব্দুর রহমান, মেহেদী হাসান চৌধুরী পলাশ ও এবি যুব পার্টির সদস্যসচিব শাহাদাত উল্লাহ টুটুলসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।